শরীয়তপুরসহ সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ভারত (IVAC), মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দুবাই ও সৌদি আরবের ওমরাহ/ভিজিট ভিসার ফাইল প্রসেসিং, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও এয়ার টিকিট সেবা।
বিদেশ ভ্রমণ, উন্নত চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা কিংবা পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য নির্ভুল ভিসা ফরম পূরণ এবং এম্বাসি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফাইল সাজানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনে নামের বানান ভুল বা অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টসের কারণে ভিসা রিজেকশন হতে পারে।
শরীয়তপুর সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত ফরহাদ কম্পিউটার (Farhad Computer) থেকে আমরা ইন্ডিয়ান ট্যুরিস্ট ও মেডিকেল ভিসা (IVAC ফরম পূরণ ও ফি জমা), সৌদি ওমরাহ ই-ভিসা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও দুবাই ই-ভিসা, বিএমইটি (BMET) নিবন্ধন এবং দেশি-বিদেশি এয়ার টিকিট ও হোটেল বুকিং সেবা অত্যন্ত যত্নসহকারে প্রদান করি।
শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশে আমরা যে সকল ভিসা ও ট্রাভেল সেবা প্রদান করি
ভারতের ভিসা অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ, আইভ্যাক (IVAC) ফি পেমেন্ট, স্লট অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও ভারতের হাসপাতালের মেডিকেল ইনভাইটেশন লেটার প্রসেসিং।
সৌদি আরবের পবিত্র ওমরাহ ই-ভিসা, ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা প্রসেসিং এবং মক্কা-মদিনায় হোটেল রিজার্ভেশন ও পরিবহন সহায়তা।
দ্রুততম সময়ে দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ই-ভিসা প্রসেসিং, কভার লেটার এবং ট্রাভেল আইটিনারারি প্রস্তুত।
ভিসা আবেদনের জন্য ডামি বা কনফার্ম রাউন্ড ট্রিপ বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং ভাউচার এবং ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স সেবা।
প্রবাসগামী কর্মীদের আমি প্রবাসী অ্যাপে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন, পিডিও (PDO) স্লট বুকিং এবং ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স ফরম প্রসেসিং।
ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদনের জন্য প্রফেশনাল কভার লেটার তৈরি এবং চেকলিস্ট অনুযায়ী ফাইল সাজানো।
গুগলে ভিসা আবেদনকারীদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর
উত্তর: ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদী মূল পাসপোর্ট (পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটিও দিতে হবে), ২x২ ইঞ্চি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি, এনআইডি কপি, বিদ্যুৎ বিলের কপি, বিগত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (ন্যূনতম ২০,০০০ টাকা ব্যালেন্স) অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট এবং পেশাগত প্রমাণপত্র (NOC/ট্রেড লাইসেন্স) লাগে।
উত্তর: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং ফি (IVAC চার্জ) সাধারণত ৮০০ টাকা থেকে ১,৫০০ টাকা (ব্যাংক ও অনলাইন চার্জসহ)। আইভ্যাক সেন্টারে ফাইল জমা দেওয়ার পর সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা পাওয়া যায়।
উত্তর: মেডিকেল ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মূল প্রেসক্রিপশন, রোগ নির্ণয়ের সকল টেস্ট রিপোর্ট এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের অফিসিয়াল মেডিকেল ইনভাইটেশন বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার প্রয়োজন হয়।
উত্তর: সৌদি ওমরাহ ভিসা, দুবাই কিংবা মালয়েশিয়া ই-ভিসার জন্য ৬ মাস মেয়াদী পাসপোর্টের রঙিন স্ক্যান কপি, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি, এনআইডি কপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও রিটার্ন এয়ার টিকিট লাগে। মাত্র ৩ থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে এই ই-ভিসাগুলো বের হয়ে আসে।
উত্তর: আপনি সরাসরি আমাদের শরীয়তপুর জজ কোর্ট (সার্কিট হাউজ মোড়) অফিসে কাগজপত্র নিয়ে আসতে পারেন অথবা দেশের যেকোনো জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ডকুমেন্টস পাঠিয়ে ঘরে বসেই অনলাইনে ভিসা ফাইল ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রসেসিং করতে পারেন।
উত্তর: সাধারণত একবার আইভ্যাক (IVAC) অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট কনফার্ম হয়ে গেলে তা সরাসরি অনলাইনে পরিবর্তন করা যায় না। তবে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে নতুন স্লটের জন্য পুনরায় আবেদন বা প্রসেসিং করতে হয়, যা আমরা ফরহাদ কম্পিউটার থেকে সহযোগিতা করে থাকি।
শরীয়তপুর বা সারা বাংলাদেশ থেকে নির্ভুল ভিসা প্রসেসিং সেবার জন্য আমাদের কল করুন অথবা অনলাইনে আবেদন করুন!