শরীয়তপুর পৌরসভা ও সকল ইউনিয়নসহ বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় নতুন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন আবেদন, নাম ও বয়স সংশোধন, বাংলা থেকে ইংরেজি সনদ এবং অনুলিপি ডাউনলোড সেবা।
স্কুলে ভর্তি, ই-পাসপোর্ট আবেদন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) তৈরির জন্য ১৭ ডিজিটের অনলাইন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ (Birth Certificate) বাধ্যতামূলক। সরকারি BDRIS সার্ভারে সঠিকভাবে তথ্য পূরণ না করলে পরবর্তীতে পাসপোর্ট ও এনআইডি কার্ডে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
শরীয়তপুর জজ কোর্ট ও সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত ফরহাদ কম্পিউটার (Farhad Computer) থেকে আমরা শরীয়তপুরসহ দেশের ৬৪ জেলার নাগরিকদের নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন, ভুল নাম বা জন্ম তারিখ সংশোধন ও ডুপ্লিকেট কপি উত্তোলনের কাজ মাত্র ১৫ মিনিটে সম্পন্ন করে দিই।
শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশে আমরা যে সকল জন্ম সনদ সেবা প্রদান করি
শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ১৭ ডিজিটের নতুন অনলাইন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ।
নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম, ভুল জন্ম তারিখ বা ঠিকানা সংশোধনের অনলাইন আবেদন ও ফি জমা।
বিদেশ যাত্রা ও পাসপোর্টের জন্য বাংলা সনদের পাশাপাশি ইংরেজি তথ্য যুক্ত করে দ্বৈত ভাষার সনদ তৈরি।
সরকারি BDRIS সার্ভারে ১৭ ডিজিটের জন্ম সনদ অনলাইন ভেরিফিকেশন এবং কিউআর কোডসহ প্রিন্ট।
হারিয়ে যাওয়া ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর বা সনদের তথ্য পুনরুদ্ধার ও প্রিন্ট কপি সংগ্রহ।
পিতা-মাতা ও ভাই-বোনদের জন্ম নিবন্ধনের সাথে পারিবারিক তথ্য মেলবন্ধন ও সঠিক ডেটা এন্ট্রি।
জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীদের সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
উত্তর: নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য টিকাদান কার্ড বা হাসপাতালের ছাড়পত্র, পিতা ও মাতার ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), হোল্ডিং ট্যাক্স বা চৌকিদারি রশিদ এবং ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগে。
উত্তর: ফরহাদ কম্পিউটারে মাত্র ১৫ মিনিটে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করে অ্যাপ্লিকেশন স্লিপ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে দ্রুত অনুমোদন করিয়ে নেওয়া যায়।
উত্তর: আপনার পুরোনো সনদটি যদি ১৭ ডিজিটের না হয় বা অনলাইনে না পাওয়া যায়, তবে পিতা-মাতার ডিজিটাল সনদ ও আপনার এনআইডি/সার্টিফিকেট দিয়ে নতুনভাবে অনলাইনে এন্ট্রি করতে হবে।
উত্তর: ২০০১ সালের পর জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমরা ফরম প্রসেসিংয়ে সহায়তা করি।
উত্তর: অনলাইন জন্ম সনদ হারিয়ে গেলে ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে অফিশিয়াল BDRIS পোর্টাল থেকে খুব সহজেই তা ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যায়।
উত্তর: পাসপোর্ট বা উচ্চশিক্ষার জন্য জন্ম সনদে ইংরেজি নামের বানান যুক্ত করতে অনলাইন সংশোধনের মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় ডিজিটাল সনদ সংগ্রহ করা যায়।
শরীয়তপুর বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ও সংশোধনের জন্য এখনই কল করুন!