ফরহাদ কম্পিউটার
Farhad Computer Driving License
Farhad Computer

ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র - শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশ

বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ও নবায়ন সেবা (BRTA BD)

শরীয়তপুর বিআরটিএ সার্কেলসহ সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষানবিশ লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন, স্মার্ট কার্ড ফি জমা, লাইসেন্স নবায়ন ও ই-লাইসেন্স ডাউনলোড।

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম (BRTA Service Portal - BSP)

মোটরসাইকেল কিংবা প্রাইভেট কার চালানোর জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) এর বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License) থাকা বাধ্যতামূলক। বর্তমানে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের (BSP) মাধ্যমে ঘরে বসেই শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স করা যায়।

শরীয়তপুর সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত ফরহাদ কম্পিউটার (Farhad Computer) থেকে আমরা শরীয়তপুর বিআরটিএ অফিস ও দেশের ৬৪ জেলার চালকদের লার্নার লাইসেন্স ফরম পূরণ, মেডিকেল ফরম প্রস্তুত, স্মার্ট কার্ডের সরকারি ফি পরিশোধ ও ডুপ্লিকেট লাইসেন্স উত্তোলনে দ্রুত সেবা দিয়ে থাকি।

আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স সেবাসমূহ

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন

BSP একাউন্ট খুলে তাৎক্ষণিক মোটরসাইকেল ও হালকা যানের শিক্ষানবিশ লার্নার লাইসেন্স ইস্যু।

স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স ফি জমা

পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ১০ বছর বা ৫ বছর মেয়াদী স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পোস্টাল ফি পরিশোধ।

ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড

অনুমোদন পাওয়ার পর কিউআর কোডযুক্ত অফিশিয়াল ই-পেপার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড ও প্রিন্ট।

লাইসেন্স নবায়ন ও ডুপ্লিকেট

মেয়াদোত্তীর্ণ পেশাদার/অপেশাদার লাইসেন্স রিনিউ এবং হারানো স্মার্ট কার্ড উত্তোলন আবেদন।

মালিকানা পরিবর্তন (Ownership Transfer)

মোটরযান বিক্রয় বা হস্তান্তরের পর বিআরটিএ নিয়মানুযায়ী গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের অনলাইন আবেদন ও প্রসেসিং।

নতুন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সেবা

নতুন মোটরসাইকেল বা মোটরযান বিআরটিএ থেকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস আপডেট সেবা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কি কি লাগে

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: অপেশাদার স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি কত?

উত্তর: ১০ বছর মেয়াদী অপেশাদার স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের সরকারি ফি (পোস্টাল চার্জসহ) প্রায় ৪,৫৫৭ টাকা এবং ৫ বছর মেয়াদী পেশাদার লাইসেন্স ফি প্রায় ২,৯২২ টাকা।

প্রশ্ন ২: লার্নার করার কতদিন পর পরীক্ষা দিতে হয়?

উত্তর: অনলাইনে লার্নার লাইসেন্স ইস্যু হওয়ার পর সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস পর আপনার লার্নার কপিতে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেলে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট হয়।

প্রশ্ন ৩: ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে চেক করব?

উত্তর: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) বা এসএমএস এর মাধ্যমে লাইসেন্স অনুমোদনের স্ট্যাটাস ও ফি জমানোর নোটিফিকেশন পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ৪: স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে কি করা উচিত?

উত্তর: স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করে বিআরটিএ পোর্টালে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়।

প্রশ্ন ৫: লার্নার ড্রাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন থাকে?

উত্তর: সাধারণত বিআরটিএ লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ ইস্যু হওয়ার তারিখ থেকে নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ৬ মাস) পর্যন্ত কার্যকর থাকে, যার মধ্যে পরীক্ষা দিতে হয়।

প্রশ্ন ৬: ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নিতে হয়?

উত্তর: বিআরটিএ পরীক্ষার জন্য ট্রাফিক সাইন, ট্রাফিক আইন ও সাধারণ মোটরযান চালনা সংক্রান্ত বিধিমালা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিয়ে লিখিত ও ফিল্ড টেস্টে অংশ নিতে হয়।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আজই যোগাযোগ করুন

শরীয়তপুর বা সারা বাংলাদেশ থেকে বিআরটিএ লার্নার ও লাইসেন্স সেবার জন্য আমাদের কল করুন!